
copyright protected..
*
*
*
জিসান বেরিয়ে যাওয়া মাত্রই অরিয়ন আর এক মুহূর্ত না দাঁড়িয়ে ধুপ করে ম্যাট্রেসের ওপর শরীরটা ছেড়ে দিয়ে শুয়ে পড়ল। হাত দুটি মাথার নিচে দিয়ে সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে রইল গম্ভীর মুখে। চলে যাওয়ার আগে স্কারলেটের মাথায় স্পর্শ করার সময় জিসানের চোখে তার প্রতি হওয়া সেই অনুভুতি দেখে তার বুক চিরে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে।
অরিয়ন বিরক্তিতে চোখ বন্ধ করে গম্ভীর স্বরে বলে ওঠে “বেরিয়ে যাও এখান থেকে,। আমাকে একা থাকতে দাও।”
স্কারলেট বিরক্ত হয়ে, কোমরে হাত দিয়ে বলে “এত আরামে শোওয়ার সময় নেই মাছ ! তোমাকে এখন নিচে গিয়ে ঠাকুমার সাথে দেখা করতে হবে। উনি তোমাকে কাজ দেওয়ার ব্যাপারে কথা বলবেন। চলো!”
অরিয়ন কোনো উত্তর দিল না, কেবল একটা অস্বস্তিকর শব্দ করে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে রইল। নিজের বুকের এই যন্ত্রনা সব কিছু তছনছ করতে ইচ্ছা করছে, স্কারলেট আর কথা না বাড়িয়ে গটগট করে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে গেল ঠাকুমাকে ডেকে আনার জন্য। আর চিলেকোঠার আবছা অন্ধকারে শুয়ে অরিয়ন এক গুম মেরে থাকা রাগে ফুঁসতে লাগল...
কিছুক্ষণ পরেই নিচ থেকে স্কারলেটের গলা ভেসে এল—
স্কারলেট, উচ্চস্বরে, নিচ থেকে “অরিয়ন! নিচে এসো! ঠাকুমা তোমার জন্য অপেক্ষা করছেন!”



Write a comment ...